কক্সবাজারে প্রথম মহিলা করোনা রোগী শনাক্ত

কক্সটিভি প্রতিবেদক♦
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০

আতঙ্কের মধ্যেই অবশেষে কক্সবাজারে প্রথম ‘করোনা ভাইরাস’ আক্রান্ত মহিলা রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রোগীর নাম মুসলিমা খাতুন। বয়স ৭০ বছর।বাড়ি চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী দক্ষিণপাড়া।
তার স্বামী মৃত রশিদ আহমদ। ছেলে মোহাম্মদ সোলাইমান কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ।
মহিলা রোগীটি বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ৫০১ নং কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা সোয়া দুইটার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী।


করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ওই মহিলাকে বিশেষ এম্বুলেন্সে করে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট এলাকার করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।
গত ২১ মার্চ জ্বর, কাঁশি, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুসলিমা খাতুনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করার জন্য ২২ মার্চ ঢাকাস্থ আইইডিসিআরে নমুনা পাঠানো হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ওই মহিলার করোনা ভাইরাসের পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।
একটি সূত্র মতে, জেলা সদর হাসপাতালের অন্তত ১৬ চিকিৎসা কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে।

ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী বলেন, এ পর্যন্ত ৮ জন চিকিৎসক, ৮ জন নার্স, ৩ জন ক্লিনার হোমকোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। আরো অনেকেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মুসলিমা খাতুন নামক রোগিকে হাসপাতালে আনার পর সন্দেহ হলে অস্বীকার করে স্বজনেরা। যে কারণে চিকিৎসক, নার্সদের ঝুঁকিতে পড়তে হলো বলে জানান হাসপাতালের আরএমও।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :

কক্সবাজারে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে হঠাৎ করেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে মানবিক বিবেচনায় নিজেদের টাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর পর তা সাধারণ জনগনের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ কর্মীর এমন মহতি উদ্যোগ সবার মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী সরূপ হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী এবং বিতরণের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর নিজেদের তত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
রোববার বিকেল থেকে কক্সবাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজে নামে ছাত্রলীগ। তারা ১ম ধাপে তিন শ’ বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করে। পরবর্তীতে ছোট বড় আরো ২শ’ বোতল স্যানিটাইজার বানানো হয়। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ৫শ’ স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বানিয়ে সম্পন্ন মানবিক বিবেচনায় তা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মইন। সমসাময়িক সঙ্কটময় মুহুর্তে ব্যতিক্রমী এমন মহৎ কাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দীন জানায়, ফার্মাসির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগ নেন তারা। নিজেদের তৈরিকৃত এসব স্যানিটাইজার বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করছেন। সবগুলো স্যানিটাইজার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে বলেও জানান মইন উদ্দিন। এদিকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে একজন ছাত্রলীগ নেতার এমন উদারতা শুধু কক্সবাজার নয়, সারাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এখানকার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা মইন