বন্যপ্রাণী খাওয়া নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন

কক্সটিভি নিউজ ডেস্ক♦
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০

চীনে বন্যপ্রাণী খাওয়া ও পালনে কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষকে।

হুবেইপ্রদেশের উহান শহরের একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে এই ভাইরাস প্রথম ছড়ায় বলে দাবি করা হয়।

কিন্তু কোন প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার হওয়া সম্ভব হয়নি। বাদুড়, সাপ ও বনরুই থেকে এই প্রাদুর্ভাব– এমনটিই সন্দেহ করা হচ্ছে।- খবর সিএনএনের

তবে চীন স্বীকার করেছে, লাভজনক বন্যপ্রাণী ফার্মগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এখান থেকে আর কোনো ভাইরাস ছড়াতে না পারে।

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে পরিবেশ, বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক মূল্য আছে এমন স্থলজ বন্যপ্রাণী খাওয়া ও পালনে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল চীন। চলতি বছরের শেষের দিকে যা আইন হিসেবে সই করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কিন্তু বন্যপ্রাণীর এই বাণিজ্য বন্ধ করা কঠিন হবে বলেই বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ চীনের সংস্কৃতিতে তা গভীরভাবে মিশে আছে। কেবল খাবারই নয়, দেশটির ঐতিহ্যবাহী ওষুধ, পোশাক ও অলঙ্কারও নির্ভর করছে বন্যপ্রাণী পালনের ওপর।

নোভেল করোনাভাইরাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু উহানের সামুদ্রিক খাবারের বাজারে মাছের চেয়েও আরও বেশি বিক্রি হতো অন্যতম প্রাণী। সাপ, রেকুন কুকুর, শজারু ও হরিণকে ঠেসে খাঁচার ভেতরে রাখা হয়। দোকানি ও স্টোর মালিকরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকেন।

ক্রেতার সামনেই গলা কেটে হত্যা করা হয় এসব প্রাণীকে বলে সামাজিকমাধ্যমে ফুটেজ দেখা গেছে।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :

কক্সবাজারে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে হঠাৎ করেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে মানবিক বিবেচনায় নিজেদের টাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর পর তা সাধারণ জনগনের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ কর্মীর এমন মহতি উদ্যোগ সবার মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী সরূপ হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী এবং বিতরণের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর নিজেদের তত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
রোববার বিকেল থেকে কক্সবাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজে নামে ছাত্রলীগ। তারা ১ম ধাপে তিন শ’ বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করে। পরবর্তীতে ছোট বড় আরো ২শ’ বোতল স্যানিটাইজার বানানো হয়। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ৫শ’ স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বানিয়ে সম্পন্ন মানবিক বিবেচনায় তা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মইন। সমসাময়িক সঙ্কটময় মুহুর্তে ব্যতিক্রমী এমন মহৎ কাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দীন জানায়, ফার্মাসির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগ নেন তারা। নিজেদের তৈরিকৃত এসব স্যানিটাইজার বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করছেন। সবগুলো স্যানিটাইজার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে বলেও জানান মইন উদ্দিন। এদিকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে একজন ছাত্রলীগ নেতার এমন উদারতা শুধু কক্সবাজার নয়, সারাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এখানকার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা মইন