‘ক্রীড়াচর্চা সাংবাদিকদের বাড়তি বিনোদন দেয়’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সাংবাদিকতা এতদাঞ্চলের জন্য খুবই ব্যস্ততম একটি পেশা, তাই এই পেশাগত কর্মব্যস্ততার পাশপাশি ক্রীড়াচর্চা থাকলে সংবাদকর্মীরা কিছুটা হলেও বাড়তি বিনোদন উপভোগ করতে পারে। সে জন্য প্রতিবছর এ ধরণের টুর্ণামেন্টসহ আরো বিভিন্ন নতুন নতুন ইভেন্ট আয়োজন করার উপর গুরুত্বারূপ করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত ‘সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট-২০২০ এর ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় প্রেসক্লাব মাঠে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরী।


টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক দীপক শর্মা দীপু এবং সদস্য আহসান সুমনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল। বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিএফএইজে-ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য আয়াছুর রহমান, বিএফএইজে সদস্য ও দৈনিক কক্সবাজারের পরিচালনা সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম, কক্সবাজার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় ‘সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম’ সাংবাদিকদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর মন্তব্য করেছেন বক্তারা বলেন, ‘সব জায়গায় দেখা যায় একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তাঁর স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন হয়। কিন্তু সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এমন একজন মানুষ যার জীবদ্দশায় ক্রীড়াসহ নানা আয়োজন করা হয়। এর থেকে স্পষ্ট বুঝা যায়, কক্সবাজারের সাংবাদিক জগতের জন্য তিনি কি পরিমাণ অবদান রেখেছেন। কাজেই এমন সফল এবং সৌভাগ্যবান মানুষ খুব কমই হয়। এমন মানুষকে আজীবন শ্রদ্ধা করা উচিৎ’।
ফাইনালে ‘৫২’ ক্যাটাগরিতে তাহের-মুজিব জুটিকে হারিয়ে মাহবুব-আয়ুব জুটি চ্যাম্পিয়ন এবং ‘৭১’ ক্যাটাগরিতে মিন্টু-লিপু জুটিকে হারিয়ে মুহিব-হিরু জুটি চ্যাম্পিয়ন হয়। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ জুটিসহ টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহনকারী সকল সাংবাদিককে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।
এসময় কক্সবাজারে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :

কক্সবাজারে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে হঠাৎ করেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে মানবিক বিবেচনায় নিজেদের টাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর পর তা সাধারণ জনগনের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ কর্মীর এমন মহতি উদ্যোগ সবার মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী সরূপ হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী এবং বিতরণের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর নিজেদের তত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
রোববার বিকেল থেকে কক্সবাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজে নামে ছাত্রলীগ। তারা ১ম ধাপে তিন শ’ বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করে। পরবর্তীতে ছোট বড় আরো ২শ’ বোতল স্যানিটাইজার বানানো হয়। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ৫শ’ স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বানিয়ে সম্পন্ন মানবিক বিবেচনায় তা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মইন। সমসাময়িক সঙ্কটময় মুহুর্তে ব্যতিক্রমী এমন মহৎ কাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দীন জানায়, ফার্মাসির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগ নেন তারা। নিজেদের তৈরিকৃত এসব স্যানিটাইজার বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করছেন। সবগুলো স্যানিটাইজার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে বলেও জানান মইন উদ্দিন। এদিকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে একজন ছাত্রলীগ নেতার এমন উদারতা শুধু কক্সবাজার নয়, সারাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এখানকার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা মইন