অপকর্মে যুব মহিলা লীগের কারা, খোঁজ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সটিভি নিউজ ডেস্ক♦
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

যুব মহিলা লীগ নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউর অপকর্মের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর সারা দেশে এই সংগঠনের আর কারা অপকর্মে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নরসিংদী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক পাপিয়াকে নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনার মধ্যে বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল।

যুব মহিলা লীগ নেত্রী পাপিয়া ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলের প্রেসিডেনসিয়াল স্যুইট ভাড়া নিয়ে তরুণীদের দিয়ে যৌন বাণিজ্য করে কোটি টাকার উপরে বিল পরিশোধ করতেন বলে র‌্যাবের ভাষ্য

সাক্ষাতের পর নাজমা আক্তার বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হযেছে। তিনি আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সারা দেশে যুব মহিলা লীগের নেতা-কর্মীদের খোঁজ নিতে। কারা কারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করতে।

“প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। এছাড়া গোয়েন্দা রিপোর্ট দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।”

মাদক-অস্ত্র চোরাচালান, জমি দখল ও হোটেলে নারীদের দিয়ে যৌন বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে শনিবার ঢাকা বিমানবন্দর থেকে পাপিয়া, তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমন ওরফে সুমন চৌধুরী এবং তাদের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত পাপিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলের ‘প্রেসিডেনশিয়াল স্যুইট’ ভাড়া নিয়ে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটি টাকার উপরে।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর পাপিয়াকে এরইমধ্যে বহিষ্কার করেছে যুব মহিলা লীগ। কারা পাপিয়ার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন।

যুব মহিলা লীগের এই নেত্রী ধরা পড়ার আগে ধরা হয়েছিল যুবলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের। গত সেপ্টেম্বরে ঢাকার বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনার প্রমাণ পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই ঘটনায় যুবলীগের ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্মেলনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনটির শীর্ষ পদ হারান ওমর ফারুক চৌধুরী।

এখন যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন ফজলে শামস পরশ, যিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :

কক্সবাজারে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে হঠাৎ করেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে মানবিক বিবেচনায় নিজেদের টাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর পর তা সাধারণ জনগনের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ কর্মীর এমন মহতি উদ্যোগ সবার মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী সরূপ হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী এবং বিতরণের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর নিজেদের তত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
রোববার বিকেল থেকে কক্সবাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজে নামে ছাত্রলীগ। তারা ১ম ধাপে তিন শ’ বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করে। পরবর্তীতে ছোট বড় আরো ২শ’ বোতল স্যানিটাইজার বানানো হয়। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ৫শ’ স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বানিয়ে সম্পন্ন মানবিক বিবেচনায় তা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মইন। সমসাময়িক সঙ্কটময় মুহুর্তে ব্যতিক্রমী এমন মহৎ কাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দীন জানায়, ফার্মাসির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগ নেন তারা। নিজেদের তৈরিকৃত এসব স্যানিটাইজার বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করছেন। সবগুলো স্যানিটাইজার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে বলেও জানান মইন উদ্দিন। এদিকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে একজন ছাত্রলীগ নেতার এমন উদারতা শুধু কক্সবাজার নয়, সারাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এখানকার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা মইন