স্মরণ… লিখেছেন আলমগীর মাহমুদ

সংবাদ কর্মীর নাম :
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২০

অতীত মনে রাখার শক্তি নিয়ে সবাই জন্মায় ঠিক, ক’জনেরইবা ভাগ্যে জোটে অতীতে ফিরে যাবার! বিনয়াবনত কৃতজ্ঞতা জানিয়ে হৃদ্ধ হবার! আর্শীবাদের অসিতে পৃথিবী জয় করবার!

জ্যোতি রক্ষিত। ২০০৭ সালে উখিয়া কলেজে আই, এ ক্লাসে পড়ত। শৈলেরডেবা আশ্রমেই কুশলায়ন ভান্তের নজরদারি ও শিষ্যত্বে বেড়ে উঠা। চঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগে কৃতি ছাত্রের পদবীটি দখলে নিয়ে সম্প্রতি সময়ে জাপানে পি,এইচ,ডি ডিগ্রীটিও ছূঁই ছূঁই…

সেদিন সাদা কাগজের আস্তিনে মোড়ানো নান্দনিক একটি প্যাকেট এগিয়ে বাহক ছাত্র কইতে রয় ”স্যার, রক্ষিত ভান্তে পাটিয়েছে”
……জাপান ফেরত হল কবেরে!
….গেল রাতে, ছুটিতে এসেছে স্যার!
আমি সুখানূভূতি পেলাম। এতবছর পরেও সে মনে রেখেছে আমায়!

পরে সে উখিয়া কলেজ সমাজবিজ্ঞান বিভাগে আসে , অতীত খোঁজতে। যদিও তার সময়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ছিল না। পুরো কলেজটিই ছিল ৯-১৪ বড় ঘরের কিছুটা বড়।

এমন ছাত্র গুলো শিক্ষকতায় কারো জীবনে ছয় বছরে একজন। কারো জীবনে বার বছরে একজন।

যে ছাত্রগুলোর আশায় রয় শিক্ষক। এরাই পেশাটির প্রাণ। এদের কারণেই শিক্ষকেরা আজো শিক্ষকতাকে লালন করে পেশা নয় , ব্রত হিসেবে।

লেখক ঃ- বিভাগীয় প্রধান। সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
উখিয়া কলেজ , কক্সবাজার।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :

কক্সবাজারে মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে হঠাৎ করেই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে মানবিক বিবেচনায় নিজেদের টাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরীর পর তা সাধারণ জনগনের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ কর্মীর এমন মহতি উদ্যোগ সবার মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরী সরূপ হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী এবং বিতরণের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর নিজেদের তত্বাবধানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
রোববার বিকেল থেকে কক্সবাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজে নামে ছাত্রলীগ। তারা ১ম ধাপে তিন শ’ বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করে। পরবর্তীতে ছোট বড় আরো ২শ’ বোতল স্যানিটাইজার বানানো হয়। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ৫শ’ স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বানিয়ে সম্পন্ন মানবিক বিবেচনায় তা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মইন। সমসাময়িক সঙ্কটময় মুহুর্তে ব্যতিক্রমী এমন মহৎ কাজের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রলীগের সভাপতি মইন উদ্দীন জানায়, ফার্মাসির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগ নেন তারা। নিজেদের তৈরিকৃত এসব স্যানিটাইজার বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করছেন। সবগুলো স্যানিটাইজার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে বলেও জানান মইন উদ্দিন। এদিকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে একজন ছাত্রলীগ নেতার এমন উদারতা শুধু কক্সবাজার নয়, সারাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতার মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এখানকার রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

মানবতার ফেরিওয়ালা ছাত্রলীগ নেতা মইন