কক্সবাজারের যুব সমাজের আইকন মোজাম্মেলপুত্র শহীদুল হক সোহেল

বিশেষ প্রতিবেদক, কক্সটিভি
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

কক্সবাজার জেলা যুবলীগকে একটি সু-সংগঠিত আদর্শিক রাজনৈতিক দল হিসেবে গুছিয়ে তুলতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বর্তমান কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক তারুণ্যের অহংকার সাহসী যুবনেতা শহীদুল হক সোহেল। অপর সহযোদ্ধা সভাপতি সোহেল আহম্মদ বাহাদুরকে সাথে নিয়ে যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে রাজনীতির মাঠে এখন প্রশংসার পঞ্চমূখ তিনি। মরহুম পিতা একেএম মোজাম্মেল হকের আদর্শকে বুকে লালন করে নিজের দায়িত্বশীল কর্ম এবং দলের জন্য খুববেশি নিবেদিত বলেই তৃণমূলের হাজারো নেতাকর্মীদের কাছে শহীদুল হক সোহেল ‘যুব আইকন’ হিসেবেই স্বীকৃত। বিশেষ করে যুবলীগের অভিভাবক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ঘোষিত নানা কর্মসূচী এবং বিশেষ বিশেষ দিবসের জাতীয় প্রোগ্রামগুলো পালন কিংবা উদ্যাপনে যুবনেতা শহীদুল হক সোহেলের নেতৃত্বে কক্সবাজারের রাজপথ সবসময় সরব হয়ে থাকে। মিছিল মিটিংয়ে দেখা যায় সবখানেই যুবলীগের জয়জয় কার। মাদার সংগঠনের অন্যতম প্রধান সহযোগি হিসেবে সরকারী দলে যুবলীগের অবস্থান এখন অনেক প্রশংসারও দাবী রাখে।
অন্যদিকে সুখবর হলো-ইতোমধ্যে একঝাঁক তারুণ্য নির্ভর ত্যাগী এবং মেধাবী মুখ নিয়ে জেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও অনেকটা শেষ পর্যায়ে বলে বিশ^স্থ সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর সেটি দ্রুত বাস্তবায়ন হলে বৃহৎ এ যুব সংগঠনের ভিত হবে আরো বেশি শক্ত-মজবুত এমনটি মনে করছেন দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
১৯৭৪ সালের ৭ এপ্রিল কক্সবাজারের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহন করেন শহীদুল হক সোহেল। তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম মোজাম্মেল হক। যিনি কক্সবাজার পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। বলা চলে-বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে মোজাম্মেল পরিবারের সম্পর্ক ছিলো অনেক গভীর। তেমন একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান শহীদুল হক সোহেল। ছাত্রজীবন থেকেই যার রাজনীতির হাতেখড়ি। ১৯৯১ সালে কক্সবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে কক্সবাজার সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯৫ সালে ডিগ্রি পাশ করেন তিনি। পরে ব্যক্তিগত ব্যবসা বাণিজ্যের পাশাপাশি পিতারমতো রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন সোহেল। ইতিপূর্বে জেলা যুবলীগের কমিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা এবং পারিবারিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে গেলো বছর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে নির্বাচিত হন মোজাম্মেল পুত্র সোহেল। তাঁর বড় ভাই এবং পরিবারের বর্তমান অভিভাবক মুজিবুর রহমান কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র। বড় ভাই মাসেদুল হক রাশেদ কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, আরেক ভাই শাহীনুল হক মার্শাল তরুণ উদ্যোক্তা পর্যটন ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবীদ, ছোট ভাই কায়সারুল হক জুয়েল কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক, একমাত্র বোন তাহমিনা চৌধুরী লুনা জেলা পরিষদের সদস্য এবং জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ভাতিজা মেয়রপুত্র হাসান মেহেদী রহমান তরুণ রাজনীতিক হিসেবে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সবমিলিয়ে একটি বর্ণাঢ্য দায়িত্বশীল রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য শহীদুল হক সোহেল। যার সু-যোগ্য নেতৃত্বে সভাপতিকে সাথে নিয়ে মাত্র এক বছরের মাথায় দীর্ঘ ১৩ বছরের ঝিমিয়ে থাকা দল চাঙ্গাসহ রাজনীতির মাঠে যুবলীগের শক্ত অবস্থান তৈরী সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতির বিশ্লেষকরা।
এর আগে ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ জেলা যুবলীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সারাদেশের যুব সমাজের অহংকার আলহাজ¦ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় সাংসদ এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে জেলা যুবলীগের কাঙ্খিত কাউন্সিল অধিবেশন ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।

সংবাদটি আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ :